সারাদেশ

বালাসী-বাহাদুরাবাদ সেতুর দাবি: গাইবান্ধায় ব্যতিক্রমী মানববন্ধনে বাবা-ছেলের অনবদ্য উদ্যোগ

বালাসী-বাহাদুরাবাদ সেতুর দাবি: গাইবান্ধায় ব্যতিক্রমী মানববন্ধনে বাবা-ছেলের অনবদ্য উদ্যোগ
📷 ছবি: সংগৃহীত
বালাসী-বাহাদুরাবাদ সেতুর দাবি: গাইবান্ধায় ব্যতিক্রমী মানববন্ধনে বাবা-ছেলের অনবদ্য উদ্যোগ

​গাইবান্ধা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধার ফুলছড়ির বালাসী ঘাট থেকে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত যমুনা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের দীর্ঘদিনের দাবিকে সামনে রেখে এক ব্যতিক্রমী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোড এলাকার গানাসাস মার্কেটের সামনে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করেন সর্বস্তরের মানুষ।
​উত্তরাঞ্চলের মানুষের এই প্রাণের দাবিকে জোরালো করতে ও কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে উদ্যোগ নিয়েছেন প্রাক্তন সেনা কর্মকর্তা অনারারী ক্যাপ্টেন (অব.) মো. সাদেক আলী সরদার এবং তাঁর উদ্যোক্তা ছেলে মো. মোস্তাফিজুর রহমান। বাবা-ছেলের এমন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ ইতোমধ্যে স্থানীয় মহলে ব্যাপক প্রশংসিত ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
​
​উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে দেশের মধ্যাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং নদীকেন্দ্রিক জনদুর্ভোগ কমাতে বালাসী ঘাটে সেতু নির্মাণ এখন সময়ের দাবি।গাইবান্ধাসহ আশপাশের জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকাসহ মধ্যাঞ্চলের যাতায়াত সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।উত্তরাঞ্চলের উৎপাদিত কৃষিপণ্য দ্রুত ও কম খরচে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বাজারজাত করা সম্ভব হবে।ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতে গতি আসবে।
​
​এরই মধ্যে এই জনদাবি বাস্তবায়নের লক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট সেতু মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন উদ্যোমী এই বাবা-ছেলে। তাঁদের এই ধারাবাহিক ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম বালাসী-বাহাদুরাবাদ সেতুর প্রয়োজনীয়তাকে নতুন মাত্রায় জাতীয় আলোচনায় নিয়ে এসেছে।
​
সরকার জনগুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়টি সদয় বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় সমীক্ষা পরিচালনা করবে এবং সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করবে। কারণ, এই সেতু কেবল একটি যোগাযোগের মাধ্যম নয়; এটি সমগ্র উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক মুক্তি, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার চাবিকাঠি।
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি