মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে জোহানেসবার্গে সমাবেশ
মোহাম্মদ উল্যা
বিশেষ প্রতিনিধি
কোম্পানীগঞ্জ, নোয়াখালী।
মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবি, বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি বন্ধের আহ্বান
দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশ থেকে তার অবিলম্বে মুক্তি ও দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জোহানেসবার্গের ফোর্ডসবার্গ এলাকার আল মক্কা রেস্টুরেন্টে ‘সেইভ হিউম্যানিটি ইন বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা’-এর উদ্যোগে এ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনের দক্ষিণ আফ্রিকা শাখার আহ্বায়ক আবুল কাশেমের সভাপতিত্বে এবং আবু নাঈমের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা মো. মোশাররফ হোসাইন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের সদস্য সচিব মো. শরীফ উদ্দিন, শাপলা টিভির সিইও নোমান মাহমুদ, আব্দুল মতিন, মোস্তাফিজুর রহমান নিশান, শেখ মাসিদ ও আব্দুর রাকিবসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের গ্রেপ্তারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তাকে দ্রুত মুক্তি এবং তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।
বক্তারা দাবি করেন, ঢাকা বিমানবন্দরে প্রবাসী যাত্রীদের ভোগান্তি, অনিয়ম, ট্রলি সংকট ও যাত্রীসেবার বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদ করায় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাকে শারীরিকভাবে নাজেহাল করার যে অভিযোগ উঠেছে, তা তারা ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।
তারা বলেন, বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার মান নিশ্চিত করা এবং প্রবাসীদের সঙ্গে হয়রানিমূলক আচরণ বন্ধ করা জরুরি। কোনো অনিয়মের প্রতিবাদ করাকে কেন্দ্র করে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ রাজনীতিবিদকে গ্রেপ্তারের ঘটনা জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
বক্তারা ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানান। একই সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রীসেবায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা বন্ধ এবং প্রবাসীদের হয়রানি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
সমাবেশ থেকে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের দ্রুত মুক্তি, তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার এবং পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে জোহানেসবার্গে সমাবেশ
📷 ছবি: সংগৃহীত