সারাদেশ

মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ইতিহাসের অংশ ফখরুল ইসলাম

মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ইতিহাসের অংশ ফখরুল ইসলাম
📷 ছবি: সংগৃহীত
মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ইতিহাসের অংশ ফখরুল ইসলাম

মোহাম্মদ উল্যা

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট) আসনের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণ। বহুল প্রতীক্ষিত এ প্রকল্পের অনুমোদন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। আর এ উদ্যোগের সঙ্গে নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের ভূমিকা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা চলছে।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের মৃত্যুর পর কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাটসহ নোয়াখালী-৫ আসনের রাজনৈতিক নেতৃত্বে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছিল, সেই সময়ে বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম জনসম্পৃক্ত নেতৃত্ব নিয়ে সামনে আসেন। পরবর্তীতে ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে জনগণের ভোটে তিনি জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হন।

নির্বাচনের পর এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি, উন্নয়ন প্রত্যাশা এবং নাগরিক সমস্যাগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার কথা জানিয়েছেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণ প্রকল্পকে স্থানীয় উন্নয়ন ও জনস্বার্থের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মুছাপুর রেগুলেটর কোম্পানীগঞ্জের উপকূলীয় এলাকার নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা, কৃষি ও জনজীবনের ওপর দীর্ঘদিনের প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নদী ও পানি ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তনের পাশাপাশি কৃষি, যোগাযোগ ও স্থানীয় অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, মুছাপুর রেগুলেটর ছিল এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। সেই দাবির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় তারা বর্তমান জনপ্রতিনিধি মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন।

তাদের মতে, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখার সুযোগ একজন জনপ্রতিনিধির রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে উঠতে পারে। মুছাপুর রেগুলেটরের বাস্তবায়নও তেমন একটি মাইলফলক হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকতে পারে।

তবে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রকল্পটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও গুণগত মান নিশ্চিত করে বাস্তবায়ন করা হয়। একই সঙ্গে প্রকল্পের সুফল যেন কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাটসহ সংশ্লিষ্ট বিস্তীর্ণ এলাকার সাধারণ মানুষ পায়, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি।

মুছাপুর রেগুলেটরের বাস্তবায়ন শুধু একটি অবকাঠামো নির্মাণ নয়; উপকূলীয় জনপদের দীর্ঘদিনের নদী ও পানি ব্যবস্থাপনা সমস্যার সমাধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। আর এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখতে পারলে মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামও এ অঞ্চলের উন্নয়ন ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে থাকবেন।