বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রবাসী স্ত্রীদের সঙ্গে দুই বছরের সম্পর্ক অবশেষে কালিগনজ আটক মাদ্রাসা শিক্ষক
ঝিনাইদহের মহেশপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘ দুই বছর ধরে শারীরিক সম্পর্ক বজায় রাখার পর প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। শেষ পর্যন্ত ওই তরুণীকে কৌশলে ডেকে এনে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানালে হাবিবুল্লাহ নামের এক মাদ্রাসাশিক্ষককে আটক করেছেন স্থানীয়রা। পরে তাঁকে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
অভিযুক্ত হাবিবুল্লাহ মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর উপজেলার একটি মাদ্রাসার শিক্ষক বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, ভুক্তভোগী তরুণী ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার সেজিয়া নলবিলপাড়া গ্রামের রুপালি খাতুন। তাঁর স্বামীর বাড়ি মহেশপুরের কদমতলা এলাকায় এবং তাঁর স্বামী বর্তমানে প্রবাসে অবস্থান করছেন।
ঘটনার বিবরণ
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে মুঠোফোনে বিয়ের প্রলোভন ও প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই তরুণীকে কালীগঞ্জ শহরের মেইন বাসস্ট্যান্ডে ডেকে আনেন শিক্ষক হাবিবুল্লাহ। এরপর তাঁকে শহরের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে ঘোরানো হয়। এ সময় তরুণী বিয়ের বিষয়ে তাগাদা দিলে অভিযুক্ত শিক্ষক নানা টালবাহানা শুরু করেন এবং একপর্যায়ে বিয়ে করতে পরিষ্কার অস্বীকৃতি জানান।
ভুক্তভোগী তরুণীর অভিযোগ, বিয়ের কথা বলে ডেকে এনে তাঁকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলা হয়েছে।
স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে আটক
দুপুর গড়ালে ওই তরুণী ও শিক্ষকের আচরণে সন্দেহ হয় স্থানীয় লোকজনের। একপর্যায়ে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে কালীগঞ্জ মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডের সচেতন নেতৃবৃন্দ ও জনতা এগিয়ে আসেন। পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাঁরা উভয়কে নিরাপদে উদ্ধার করেন এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক হাবিবুল্লাহকে কালীগঞ্জ থানা পুলিশের হেফাজতে সোপর্দ করেন।
আইনগত পদক্ষেপ
ঘটনার বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার পুলিশ জানিয়েছে, আটক শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী তরুণীর লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আরও আপডেট করা হবে।
সীমান্ত টিভি | সত্যের পথে অবিরাম পথচলা