স্টাফ রিপোটার
মেহেদী হাসান
৩১/১০/২০২৬
খুলনা রেঞ্জের ২৮ জন পুলিশ সদস্য ক্লোজ
খুলনা রেঞ্জের বিভিন্ন জেলা ও ইউনিটে কর্মরত ২৮ জন পুলিশ সদস্যকে একযোগে ক্লোজড (প্রত্যাহার) করা হয়েছে।
অভিযোগ তদন্তসাপেক্ষে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি অফিসের আওতাধীন ১০টি জেলার পুলিশ সদস্যদের ভেতর উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মো. রেজাউল করিমের নেওয়া এমন উদ্যোগকে অনেকে সাধুবাদ জানালেও দুর্নীতিবাজ পুলিশ সদস্যরা পড়েছেন বিপাকে।
বিস্তারিত তথ্য:
কারণ: নিয়মিত বেতন-ভাতার বাইরে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ।
খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় (ডিআইজি মো. রেজাউল করিম) এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।
৩০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে এই প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
প্রত্যাহারকৃত সদস্যদের মধ্যে বাবুর্চি থেকে শুরু করে উপপরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার কর্মকর্তা রয়েছেন।
যেসব এলাকার সদস্য রয়েছেন: খুলনা, বাগেরহাট, যশোর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা জেলার বিভিন্ন থানা, ট্রাফিক বিভাগ এবং গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) কর্মরত সদস্যরা। ক্লোজড হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন : খুলনা জেলায় ৯ জনের মধ্যে দিঘলিয়া থানার এসআই লিটন, কনস্টেবল রব, পাইকগাছা থানার এএসআই রবিউল এবং এসআই কামরুজ্জামান, কয়রা থানার এএসআই জাহিদ, রূপসা থানার এসআই শহিদুল, তেরখাদা থানার পুলিশের বাবুর্চি সোহেল, ডুমুরিয়া থানার কনস্টেবল মহাসিন এবং ডিবি কনস্টেবল রাসেল ও ইমরুল। বাগেরহাট জেলায় ৯ জনের মধ্যে সদর থানার আব্দুল্লাহ আল মামুন, মোল্লাহাট থানার পুলক বিশ্বাস, চিতলমারী থানার মো. জাহিদুর রহমান, ফকিরহাট থানার এএসআই অমিত কুমার মন্ডল, রামপাল থানার স্বরূপ হালদার, মোড়েলগঞ্জ থানার এএসআই মো. কিশোর কুমার, শরণখোলা থানার এএসআই।
তুষার কান্তি পাল, ডিএসবি মোহাম্মদ আহাদ আলী, জেলা গোয়েন্দা শাখার আনিসুর রহমান।
যশোর জেলার কোতোয়ালি মডেল থানার এএসআই বাবর আলী, চৌগাছা থানার এএসআই শান্ত, ঝিনাইদহ জেলার সদর থানার এসআই রোকনুজ্জামান, কনস্টেবল রবিউল ইসলাম, কালিগঞ্জ থানার এএসআই সোহাগ হোসেন, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার এসআই লিংকন সরকার, ভেড়ামারা থানার কনস্টেবল রাকিব হোসেন, কনস্টেবল জাকির হোসেন, ট্রাফিক শাখার কনস্টেবল সৈয়দ মোল্লা এবং চুয়াডাঙ্গা জেলার ট্রাফিক কনস্টেবল আকরাম। এছাড়া পুলিশ সদস্যের বাইরে খুলনার দাকোপ থানার ঝাড়ুদার রাসেল এবং বাগেরহাট জেলার মোংলা থানার মোহাম্মদ আলম হোসেন নামে ২ জনকে অপসারণ করা হয়েছে।
উদ্দেশ্য: বর্তমান সরকারের দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি বাস্তবায়ন এবং পুলিশের অভ্যন্তরীণ শুদ্ধি অভিযান পরিচালনা করা।
খুলনা রেঞ্জের ২৮ জন পুলিশ সদস্য ক্লোজ