কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাটে মেধা বৃত্তি পরীক্ষা শনিবার ;অংশ নেবে ১২৮৭ শিক্ষার্থী
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভায় আগামীকাল শনিবার (২৪ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হবে মেধা বৃত্তি পরীক্ষা–২০২৬। মেধা বিকাশ ফাউন্ডেশনের পরিচালনায় এবং নোয়াখালী ওয়ারিয়র্সের পৃষ্ঠপোষকতায় এ পরীক্ষায় প্রাথমিক, নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের মোট ১ হাজার ২৮৭ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। বসুরহাটের দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
পরীক্ষার কেন্দ্র দুটি হলো বসুরহাট আব্দুল হালিম কোরোনেশন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এবং মাকসুদা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টাব্যাপী এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত আধা ঘণ্টা আগে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে নিজ নিজ আসনে অবস্থান করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে ২০২ জন, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ২২৯ জন, তৃতীয় শ্রেণিতে ১৯৮ জন, চতুর্থ শ্রেণিতে ২৮৮ জন এবং পঞ্চম শ্রেণিতে ৩৭০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবে। নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ১৬৮ জন, সপ্তম শ্রেণিতে ১৬৪ জন ও অষ্টম শ্রেণিতে ১৩৯ জন এবং মাধ্যমিক পর্যায়ে নবম শ্রেণিতে ১০৭ জন ও দশম শ্রেণিতে ৬০ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
মেধা বিকাশ ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমে সহযোগিতা করছেন ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও ক্রিসেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আবু নাচের, সহসভাপতি ও বসুরহাট আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ইমাম উদ্দিন মিয়াজী, সহসম্পাদক ও মুক্তিযোদ্ধা শহীদ কামাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল হাসান, বিএসসি (অনার্স), এমএসসি (গণিত) এবং সাংগঠনিক সম্পাদক, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী মাঈন উদ্দিন মিন্টু।
আয়োজকদের লক্ষ্য, শিক্ষার্থীদের মধ্যে আদর্শবোধ, মেধা, যোগ্যতা, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ, দক্ষতা ও কর্মমুখী চিন্তার বিকাশ ঘটানো। একই সঙ্গে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা এবং একটি সুস্থ, সুন্দর ও মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা নিয়ে মেধা বিকাশ ফাউন্ডেশন কাজ করছে।
ফাউন্ডেশনটি বছরব্যাপী বৃত্তি পরীক্ষা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, পাঠাভ্যাসে উৎসাহ প্রদান, খেলাধুলার আয়োজন, বৃক্ষরোপণ এবং পরিবেশদূষণ রোধে বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করে থাকে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের লেখনীশক্তি বিকাশে বিভিন্ন ম্যাগাজিন ও সাময়িকী প্রকাশের উদ্যোগও গ্রহণ করে।
শিক্ষার্থীদের মেধা অন্বেষণ, প্রতিভা বিকাশ এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধিতে এ বৃত্তি পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।