নোয়াখালী'র কোম্পানীগঞ্জে বিএনপি'র ৮৩ চেয়ারম্যান প্রার্থী, এলাকায় হাস্যরস ও দলে ক্ষোভ
নোয়াখালী-৫ আসনের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে বিএনপির সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের আধিক্য নিয়ে এলাকায় হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার আটটি ইউনিয়নে ৮৩ জন মনোনয়নপ্রত্যাশীর নাম সামনে আসায় দলীয় ঐক্য, প্রার্থী বাছাই ও অভ্যন্তরীণ সমন্বয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বিভিন্ন ইউনিয়নের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে ধারাবাহিক মতবিনিময় সভা করছেন। গত ১৬ অক্টোবর বসুরহাট পৌরসভা মিলনায়তনে চরফকিরা ও চরপার্বতী ইউনিয়নের সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে পৃথক সভায় তিনি প্রার্থীদের যোগ্যতা ও পারস্পরিক সমন্বয়ের অভাব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য, অনেকে ইউপি সদস্য হওয়ার যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্নের মুখে, অথচ চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আগ্রহী।
সভাগুলোতে দলীয় সিদ্ধান্তে মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি নেওয়া হয়। তবে স্থানীয় নেতাকর্মীদের একাংশের অভিযোগ, সম্ভাব্য প্রার্থীদের অনেককে অতীতে দলের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় দেখা যায়নি। মনোনয়ন ঘিরে অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টাও রয়েছে বলে তাঁদের দাবি।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিপুলসংখ্যক মনোনয়নপ্রত্যাশীর মধ্যে সমন্বয় করা এবং গ্রহণযোগ্য প্রার্থী বাছাই করা বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ বিকল্প প্রার্থী দিলে নির্বাচনের আগে অভ্যন্তরীণ কোন্দল আরও বাড়তে পারে।
প্রকাশ্যে ঐক্যের অঙ্গীকার থাকলেও শেষ পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্ত কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে সংশয় রয়েছে।