রাজনীতি

দুঃসময়ের লড়াকু সিপাহশালার আজ তুমি বড্ড একা

দুঃসময়ের লড়াকু সিপাহশালার আজ তুমি বড্ড একা
দুঃসময়ের লড়াকু সিপাহসালার, আজ তুমি বড্ড একা...
২০০৬-২০০৮ সালের সেই ভয়াল সেনাসমর্থিত অগণতান্ত্রিক চক্রান্তের দিনগুলোর কথা কি আমাদের মনে আছে? যখন প্রিয় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারারুদ্ধ, যখন নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিশাল তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল, পুলিশি বুটের নিচে পিষে মারার চেষ্টা করা হয়েছিল জাতীয়তাবাদী শক্তিকে—ঠিক তখন নিজের জীবন বাজি রেখে কারা জীবনের পরোয়া না করে রাজপথে জাতীয়তাবাদের পতাকা উঁচিয়ে ধরেছিলে?
তৎকালীন সংকটকালে যে ক'জন বীর সৈনিক বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে প্রথম সারির নামটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ।
যে ছাত্রনেতা একসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজপথ কাঁপিয়েছেন, রাজপথে রক্ত দিয়েছেন, তিল তিল করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলকে আগলে রেখেছেন—আজ সময় তাঁর সাথে কত নির্মম খেলা খেলছে! রাজনৈতিক মারপ্যাঁচ আর ভেতরের চক্রান্তে আজ তিনি সেই প্রিয় দল থেকেই বিতাড়িত।
দলের জন্য নিজের যৌবন ও জীবন বাজি রাখা এই ত্যাগী নেতা আজ মারাত্মক অসুস্থতায় ভুগছেন। যে মানুষটির একটি ডাকে একসময় হাজার হাজার ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমে আসত, আজ তিনি নিভৃতে, নীরবে-নিভৃতে এক গভীর বেদনায় দিন কাটাচ্ছেন।
ফিরোজ ,তোমার অবদান ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা যাবে না। পদ-পদবি হয়তো কেড়ে নেওয়া যায়, কিন্তু রাজপথের ত্যাগের ইতিহাস কখনো মুছে ফেলা যায় না।
মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে আকুল প্রার্থনা—আল্লাহ যেন আমাদের প্রিয় সাইফুল ইসলাম ফিরোজকে দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা দান করেন। রাজপথের এই ত্যাগী বীর সেনানী যেন সুস্থ হয়ে আবারও আমাদের মাঝে ফিরে আসো।