সারাদেশ

সদর হাসপাতাল সড়কে ভোক্তা অধিকার অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা

সদর হাসপাতাল সড়কে ভোক্তা অধিকার অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা
📷 ছবি: সংগৃহীত
সদর হাসপাতাল সড়কে ভোক্তা অধিকার অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা

মোহাম্মদ উল্যা
বিশেষ প্রতিনিধি
কোম্পানীগঞ্জ, নোয়াখালী

নোয়াখালী সদর উপজেলার সদর হাসপাতাল সড়ক এলাকায় বিশেষ তদারকি অভিযান চালিয়ে তিন প্রতিষ্ঠানকে মোট ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আছাদুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে খাবার হোটেল, কনফেকশনারি ও ফার্মেসিতে ভোক্তা অধিকারবিরোধী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তদারকি করা হয়। এর মধ্যে খাবারের মূল্যতালিকা প্রদর্শন, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও সংরক্ষণ, অনুমোদনহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি এবং ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করা হয়।
অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষণ করা পোড়া তেল ব্যবহার করে খাবার প্রস্তুত, নিম্নমানের লবণ ব্যবহার এবং স্বাস্থ্যবিধি না মেনে খোলা অবস্থায় খাবার প্রদর্শনের অভিযোগে মেসার্স মতিন হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় পোড়া তেল জব্দ করে ধ্বংস করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে সতর্ক করা হয়।
এ ছাড়া অনুমোদনহীন ও লেবেলবিহীন প্রসাধনী বিক্রি এবং বিদেশি পণ্যে ইচ্ছেমতো মূল্য ট্যাগ লাগানোর অভিযোগে মেসার্স ফুড পয়েন্ট কনফেকশনারিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় মূল্য ট্যাগ লাগানোর কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইজ ট্যাগ গান জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।
অন্যদিকে, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির উদ্দেশ্যে পৃথক স্থানে না রেখে সংরক্ষণ করার অভিযোগে মেসার্স মিজান ফার্মেসিকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে জেলা বিশেষ টাস্কফোর্সের সদস্যরা এবং এএসআই কামালের নেতৃত্বে সুধারাম থানা পুলিশের একটি দল সহযোগিতা করে। পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে লিফলেট বিতরণ করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।