রাজনীতি

খুলনার সাবেক এমপি সহো ৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ৫ মামলা

খুলনার সাবেক এমপি সহো ৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ৫ মামলা
স্টাফ রিপোটার
মেহেদী হাসান
২৭/১০/২০২৬ইং

খুলনার সাবেক এমপি, সহো ৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ৫ মামলা


খুলনা-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. রশীদুজ্জামান, খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) সাবেক কাউন্সিলর মেমরী সুফিয়া রহমান শুনু ও তার স্বামী খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মো. ফারুক আহমেদের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এছাড়া মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক বিধান কুমার ভাণ্ডার ও তার স্ত্রী ডলি ভাণ্ডারের বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা হয়েছে।

দুদক (দুর্নীতি দমন কমিশন) খুলনায় সাবেক সংসদ সদস্য ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ৫টি মামলা দায়ের করেছে।

গত সোমবার (২৬ অক্টোবর ২০২৬) বিকেলে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, খুলনায় মামলাগুলো করা হয়। মামলার বিবরণ অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তি ও অভিযোগগুলো হলো:

সাবেক এমপি মো. রশীদুজ্জামান: খুলনা-৬ আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে ৭৫ লাখ ৯০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ১টি মামলা করা হয়েছে।

শেখ মো. ফারুক আহমেদ: আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মো. ফারুক আহমেদের বিরুদ্ধে দলীয় পদ ব্যবহার করে ১ কোটি ১৭ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ১টি মামলা করা হয়েছে।

মেমরী সুফিয়া রহমান শুনু ও শেখ মো. ফারুক আহমেদ: সাবেক কাউন্সিলর মেমরী সুফিয়া রহমান শুনুর বিরুদ্ধে স্বামীর সহায়তায় নিজ নামে ৩৬ লাখ ৯১ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলের অভিযোগে ১টি মামলা করা হয়েছে। এই মামলায় তার স্বামী ফারুক আহমেদকে সহযোগিতাকারী হিসেবে আসামি করা হয়েছে।

বিধান কুমার ভান্ডার: মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক বিধান কুমার ভান্ডারের বিরুদ্ধে ৭৩ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পৃথক ২টি মামলা করা হয়েছে।

ডলি ভান্ডার: স্বামীর অর্জিত ১ কোটি ৮ লাখ টাকা মূল্যের অবৈধ সম্পদ নিজ মালিকানায় রেখে ভোগদখল করার অভিযোগে বিধান কুমারের স্ত্রী ডলি ভান্ডারের বিরুদ্ধে ১টি মামলা করা হয়েছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকালে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় খুলনার সহকারী পরিচালক মো. জাহিদ ফজল বাদি হয়ে মামলা তিনটি এবং উপ-সহকারী পরিচালক আশিকুর রহমান বাদি হয়ে অপর দুটি মামলা দায়ের করেন।